আজকাল গতানুগতিক অনুসরন যেন প্রত্যেক মানুষের জীবনেই নৈমত্তিক ঘটনা হয়ে দাড়িয়েছে। বলার জন্য বহু খোলা কান থাকলেও কিন্তু শুনতে চাওয়ার মত যুক্তিসঙ্গত বর্ননা-- কিংবা অন্য ভাষায় বলতে গেলে কাহিনীর যেন বড়ই অভাব এখন। কাহিনী বাননো সহজ কাজ নয় বিধায় মানুষের মনন ও বোধগম্যতার বিচারে গেলে দেখা যাবে যে এখন বহু মানুষই সত্যমিথ্যার যাচাই করতে যান না।মানুষ এখন কোন ঘটনা সত্যই হোক আর মিথ্যাই হোক শুনে যাওয়ার পক্ষেই থাকেন। এই সুযোগে মিথ্যার ফুলঝুড়ি বাড়তেই থাকবে এমনটাই কি হওয়া উচিৎ। এখন মনে হবে যে গোয়েবলস নিজে যদি আমাদের মধ্যে নেমে আসেন তিনি নিজেও হয়তো সত্যমিথ্যার পার্থক্য ধরতে গিয়ে ভীমরি খেয়ে মারা যাবেন।
ব্যাপক পরিবর্তনের এই যুগে এখন চিন্তার চেয়েও দ্রুততা পেয়েছে মানুষের প্রত্যাশাগুলি। কে বলবে এসব প্রত্যাশার মধ্যে কতটা বাস্তবতার ছোঁয়া রয়েছে। মানুষের আকাঙ্গ্খা অনেক দূর পর্যন্ত। এর সঙ্গে ব্যাক্তিগত উচ্চাকাঙ্গ্খাকে গুলিয়ে ফেললে হবে না। এর মধ্যে একটি স্বাধীনতা ধারাবাহিকতা অন্যটি আজন্ম গোলামীর দাসখত।এর ব্যাখ্যা এখানে নিস্প্রোজন। তবে কোথাও স্বাধীন বোধের অভাব ঘটলেই সেখানে এক মহাশক্তি উপস্থিতি স্বীকার করে নিতেই হবে।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন