মনের মান্যতা শুধুমাত্র নুতনের অভিষেকের জন্য স্বাগত জানাচ্ছে।চারদিকে দিগন্ত বিস্তৃত মাঠের প্রানজুড়ানো দৃশ্য সময়ের আবর্তে হারিয়ে গেছে। একসময় জীবনের প্রয়োজনে যা কিছু গুরুত্ববহ ছিলো প্রজন্মের পর প্রজন্ম অতিবাহিত হলে পরে একদম শুন্যতায় ভরে যায় সেসমস্ত অতীত স্মৃতিগুলি।একলহমায় একদম শুন্যতায় পর্যবসিত হয়ে যায় স্মৃতিময়তা এবং এমন একটি অবস্থানে এসে পড়েছে জীবন যে সামান্য কিছু স্মরনিকা বা হোমেজ প্রদর্শন করার মত কেউই থাকে না। আমরা যেন বর্তমানে এধরনের একটি দ্বন্দের মধ্য দিয়ে সময় অতিবাহিত করছি।
অতীত এবং বর্তমানের দ্বন্দ এটা কখনই যে ছিল না তা কিন্তু নয়। তবে এখনকার যুগে এই দ্বন্দ সুস্পস্ট।যেন এটা খুব নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে অবশ একটি সময়কে টেনে এবং হেঁচড়ে নিয়ে যাচ্ছে সম্মুখে। এই অবস্থাকে কি প্রগতী বলা যাবে। নাকি এসব আসলে একপ্রকার সামাজিক দায়বদ্ধতার ফলাফল। ফলাফলটাকে সবসময় পজেটিভ দৃস্টিতে দেখতে হয়।তাই বলে অনাকাঙ্গ্খিত দ্বন্দের প্রকৃতি সম্বন্ধেও ধারনা পরিস্কার হওয়া উচিৎ। কেন এবং কোন অবস্থানে এসে একটি প্রজন্ম তাদের অতীতের সঙ্গে সম্পর্ককে ভুলে বসবে বা অবজ্ঞা করবে। কোন নিরাপত্তা ইস্যুতে এমনটা হতে পরে অথবা সামাজিক দায়বদ্ধতায় কি পরিমান অবনতি ঘটলে পরে এরকম একটা অপ্রত্যাশিত অবস্থা তৈরী হতে পারে।
প্রশ্ন হচ্ছে আমাদের অতীতের কাছে এই যে সামাজিক দায়বদ্ধতা এটা কিরূপে এবং কিভাবে আর কোন কোন নামে বিরাজ করে ভিন্ন ভিন্ন সমাজে সেটা বুঝতে পারা এবং নিজেদের কর্মজগৎকে নিজেদের উন্নয়ন ধারনার সঙ্গেই পুরোপুরি সংগতিপূর্ন রাখা। অথবা নিজস্ব বিচার বিশ্লেষনকে আরও প্রখর করে নেওয়া। পিছিয়ে পড়া সমাজকে শুধু শুধু স্বাধীনতর স্বপ্ন দেখানো কোন সহজ কর্ম নয়।প্রত্যেক মানুষের এবং জাতীর স্বাধীন স্বত্বা আলাদা হয়। তাই স্বাধীনতার স্বপ্ন দেখা কোন একসময় ফিয়াসকো বা প্রহসনে পরিনত হয়ে যেতে পারে। এই দর্শন মানুষের একেবারেই অজনা নয়। ইতিহাস ঘাটলে তার প্রমানও মিলবে। কিন্তু লড়াই থেমে থাকতে পারেনা।
কোন মন্তব্য নেই:
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন